ঢাকা , মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ , ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শায়েস্তাগঞ্জে পৌরসভায় চাহিদার চেয়ে ৬ জন ডিলার মধ্যে ১জন ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র খোলে ৩ শ ভোক্তাকে ৫ কেজি আটা এবং ২ ভোক্তাকে ৫ কেজি চাল দিলে ও হাজারের উর্ধে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছে মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৮-১১ ০৯:৩৬:৩৬
শায়েস্তাগঞ্জে পৌরসভায় চাহিদার চেয়ে ৬ জন ডিলার মধ্যে ১জন ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র খোলে ৩ শ ভোক্তাকে ৫ কেজি আটা এবং ২ ভোক্তাকে ৫ কেজি চাল দিলে ও হাজারের উর্ধে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছে মানুষ শায়েস্তাগঞ্জে পৌরসভায় চাহিদার চেয়ে ৬ জন ডিলার মধ্যে ১জন ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র খোলে ৩ শ ভোক্তাকে ৫ কেজি আটা এবং ২ ভোক্তাকে ৫ কেজি চাল দিলে ও হাজারের উর্ধে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছে মানুষ
সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:



বর্তমান বাজারে নিত্য পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খোলা বাজারে (ওএমএস) বিক্রয় কেন্দ্র নিম্নবিত্ত নারী-পুরুষের ভীড় দিন দিন বেড়েই চলেছে। সারাদেশে ২ হাজার ৯৭৬ জন ওএমএস ডিলার নিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ওএমএস ডিলার মাধ্যমে ১ জন ভোক্তা মাথা পিছু সর্বোচ্চ ৫ কেজি আটা এবং ৫ কেজি চাল বিতরণ করার কথা থাকলেও হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভায় একজন ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্রে মাথা পিছু ৫ কেজি আটা ১ শ জনকে এবং ২ শ জনকে মাথা পিছু ৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র ডিলার সংখ্যক কম থাকায় চাহিদা মতো পৌরসভায় ১৫ শ উর্ধে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষকে আটা ও চাল দিতে পারছে না পারায় খালি হাতে ফিরে যাচ্ছে। তবে চালের চেয়ে আটা বরাদ্দ কম। জানা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা এ শ্রেণির পৌরসভায় ৬ জন ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র ডিলার নিয়োগ করা হয়। এর মধ্যে ১ জন ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র আটা ও চাল দিতে ডিলাররা হিমসিম খাচ্ছে।


চালআটা না পেয়ে অনেকেই ডিলারদের কে নানা ধরনের কথা শুনতে হচ্ছে। উপজেলা পৌরসভা হাসপাতাল সড়ক এলাকায় জহুর আলী মার্কেট ভেতর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌরসভা ১জন ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র চাল ও আটা বিতরণ করা হয়। সরকারি ছুটি দিন ছাড়া প্রতিদিন ভোর সকাল থেকে পৌরসভা সহ আশপাশের ইউনিয়ন হতে ১৫ শত উর্ধে নারী-পুরুষ উপচে পড়া ভীড় জমে দীর্ঘ সারি লাইন হয়ে থাকে। এর মধ্যে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ভোক্তারা চাল ও আটা নিতে গিয়ে সারি লাইনে ধাক্কা ধাক্কি ্লেগে থাকে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছে ডিলাররা। এক পর্যায়ে দুপুর ২ টা আগেই ৩শ জনকে চাল ও আটা দিয়ে শেষ হয়ে যায়। হাসপাতাল এলাকায় ওএমএস ডিলার জানান, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় ৯ টি ওয়ার্ডে ৮০% নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার বসবাস করে। এর মধ্যে আশপাশের ইউনিয়ন হতে শত শত নারী-পুরুষ ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্রে ভোর সকাল থেকে সারি লাইনে চাল ও আটা নিতে আসে। পৌরসভার নারী-পুরুষ চিনলে ও বহিরাগত ইউনিয়নের লোকজনকে চিনা যায় না। ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র খোলা সাথে পুরুষের চেয়ে বোরকা পড়া মহিলা ৩ গুন বেশি সারি লাইনে থাকে। অথচ পৌরসভায় ৯ টি ওয়ার্ডে ৬ জন ওএমএস ডিলার নিয়োগ দেয়া হলে ও চাপের মুখে ৩ জন ভোক্তাকে আটা ও চাল দিতে হচ্ছে। অপরদিকে, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার ১ জন ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র ডিলারকে বন্যায় ক্ষতি সাধন উপলক্ষ্যে শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নে কলিমনগর এলাকায় দেওয়া হয়েছে।

সেখানে জন ভোক্তাকে মাথা পিছু কেজি আটাজনকে এবং মাথা পিছু ৫ কেজি চাল ২ জনকে দেওয়া হয় কিন্তু সেখানে ও চাহিদা তুলনায় ৪ গুন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ হয়ে থাকে। শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় আরো ৩ জন ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র ডিলার দেওয়া হলে অনেক সুবিধা হতো। ১ টি পুরান বাজার, ১টি থানা রোড ও ১ টি দাউদনগর বাজার মনিকা সিনেমা হল এর পাশে। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভায় ১ টি ওএমএস চাল ও আটা বিক্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং পৌরসভার ওএমএস ডিলার শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নে কলিমনগর এলাকায় আটা ও চাল বিক্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আটা ও চাল বরাদ্দ খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। পৌরসভায় আরো ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র খোলা ও বরাদ্দ বাড়ানো বিষয়টি আমাদের হাতে নেই। এ প্রসঙ্গে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করুন। পৌর সভা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের নারী-পুরুষের সংখ্যা খুবই বেশি।


এর মধ্যে আটা চালের দাম বাজারে বেশি হওয়ায় পৌরসভায় নারী-পুরুষের ভীড় হচ্ছে। এদিকে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভার পশ্চিম লেঞ্জাপাড়া গ্রামের দিনমজুর মোঃ লাল মিয়া ও হাসপাতাল রোড এলাকার সিএনজি চালক মোঃ রমজান আলী বলেন, পৌরসভায় আরো ৩ টি ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র খোলা হলে পৌরবাসীর নিম্ন ও মধ্যবি চাল ও আটা নিতে সুবিধা হবে এবং ভীড়ের সংখ্যা কম হবে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ